পাহাড়-ঝর্ণার অনাবিল সৌন্দর্য দেখতে ঘুরে আসুন হিমছড়ি

অক্টোবর ০৩ ২০১৯, ১৬:০১

মজিবর রহমান নাহিদ, হিমছড়ি থেকে ফিরে ॥ প্রাকৃতিক অপরূপ সৌন্দর্যের লীলাভূমি আমাদের এই বাংলাদেশ। দেশের দর্শনীয় স্থানগুলোর মধ্যে অন্যতম ‘ছিমছড়ি’। হিমছড়ি এমন একটি জাগয়া যেখানে একবার বেড়াতে না গেলে বোঝাই যাবে না। চট্টগ্রাম বিভাগের কক্সবাজার জেলায় অবস্থিত একটি পর্যটনস্থল হিমছড়ি। কক্সবাজার থেকে এটি ১২ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। এখানে রয়েছে পাহাড়, সমুদ্র ও ঝর্ণার অপূর্ব মিলন মেলা। যা ভ্রমণ পিপাসুদের বিমোহিত করে। একপাশে রয়েছে সুবিস্মৃত সমুদ্র সৈকত আর অন্যপাশে রয়েছে সবুজ পাহাড়ের সারি। পাহাড়ের পাদদেশ ইকোপার্ক থেকে পাহাড়ের উচু প্রায় ৩’শ ফুটের মতো সিঁড়ির উচ্চতা। পার্কের গেটে ৩০টাকা মূল্যের টিকিট কেটে সিঁড়ি বেয়ে উপরে উঠতে উঠতে একটু কষ্ট হলেও উপরে উঠে একপাশে পাহাড় আর অন্যপাশে সমুদ্রের মনোমুগ্ধকর দৃশ্য দেখে সব হৃদয়টা জুড়িয়ে যাবে। এরকম শান্ত নীরব ও সুনসান পরিবেশের দর্শনীয় স্থান আমদের দেশে হয়তো আর নেই। পাহাড় চূড়ার মধ্যখানে আছে হিলটপ রিসোর্ট। পাহাড় থেকে নেমে আরেক পাশে রয়েছে ঝর্ণা। হিমছড়ি পাহাড়রের শীতল পানির ঝর্ণাটা অসাধারণ। বর্ষাকালে এই ঝর্ণার প্রকৃত রূপ দেখা যায় সম্পূর্ণভাবে। কেউ কেউ এই শীতল পানির লোভ সামলাতে না পেরে গোসল করে নিচ্ছেন আনন্দের সাথে। এখানে বেশ কয়েকটি ছোট-বড় পাহাড়ি ঝর্ণা রয়েছে। এসব ঝর্ণার পানি প্রবাহ পর্যটকদের আকৃষ্ট করে। পাহারের পাদদেশে রয়েছে বার্মিচ মার্কেট। সেখান থেকে আপনি আপনার প্রয়োজনীয় অনেক কিছু কেনাকাটা করতে পারবেনা। এছাড়া হিমছড়ি সমুদ্র সৈকতেও আপনি ঘুরতে পারেন।

কীভাবে যাবেন: কক্সবাজার শহর থেকে অটো রিকসা কিংবা সিএনজি ভাড়া নিয়ে হিমছড়িতে যাওয়া যায়। হিমছড়ির উদ্দেশে কক্সবাজার সৈকত থেকে সব সময়ই জিপ গাড়ি ছেড়ে যায়। আপনি চাইলে বিভিন্ন বাহনে হিমছড়ি যেতে পারেন। অটো কিংবা সিএনজির ভাড়া পরবে ১৫০ থেকে ২শ’ টাকা।

কোথায় থাকবেন: হিমছড়িতে বেড়াতে গেলে কক্সবাজার থাকাটাই উত্তম। কারন কক্সবাজারকে বলা হয় আবাসিক হোটেলের শহর। তাই কক্সবাজার শহরের যেকোন হোটেলে রাত্রীযাপন করা যায়।

লেখকঃ বরিশাল প্রতিনিধি, আনন্দ টেলিভিশন ও সভাপতি বরিশাল তরুণ সাংবাদিক ফোরাম।